ডেটা যেখানে মানুষের কাছাকাছি

চার জেলায় কোভিড ২য় ঢেউয়ে মৃত্যু কমানো যেত?

করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে শুরু হলো কঠোর লকডাউন। বুধবার (৩০ জুন) শনাক্ত হলো দ্বিতীয় ঢেউয়ের সর্বোচ্চ সংখ্যক (৮,৮২২) কোভিড-১৯ পজিটিভ ব্যক্তি। এর আগের দিন হলো বাংলাদেশ এ যাবৎ এক দিনে সর্বোচ্চ (১১৯) মৃত্যুর রেকর্ড।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যুর শতকরা হারে শীর্ষ ১০ জেলার তিনটি হলো, চাঁদপুর (১ম), কুমিল্লা (২য়) ও ফেনী (৭ম)। জেলাগুলিতে মৃত্যুহার কেন বেশি- সে বিষয়ে গণমাধ্যমে খবরও প্রকাশ হয়েছে। তবে এসব জেলায় মৃত্যুহার বেশি হওয়ায় আমরা ডেটাফুল সংশ্লিষ্টরা অবাক হইনি। কিন্তু কেন?

কারণ উন্মুক্ত ডেটার বিশ্লেষণে পাওয়া পথরেখা। এই জেলাগুলি যে দ্বিতীয় ঢেউয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকবে- উন্মুক্ত ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে তা গত অক্টোবরেই আশঙ্কা করেছিল ডেটাফুল।

গত অগাস্টে প্রথম ঢেউয়ের সমাপ্তির পর অক্টোবরে একটি উন্মুক্ত ডেটাভিত্তিক ইন্টারঅ্যাকটিভ ভিজ্যুয়াল প্রকাশ করেছিল ডেটাফুল। তাতে কোভিড-১৯ লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এমন শীর্ষ ১০ জেলার তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। এতে দেখা গিয়েছিল, যেসব জেলা শীর্ষ ১০ তালিকায় রয়েছে সেগুলো সংক্রমণ হার বিবেচনায় শীর্ষ তালিকায় ছিল না।

উন্মুক্ত ডেটার বিশ্লেষণ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে প্রতিরোধ কার্যক্রম শক্তিশালী করা যেত। তাহলে দ্বিতীয় ঢেউয়ে ওই জেলাগুলোতে করোনায় প্রাণহানি কমানোর সুযোগ থাকত।

[করোনার ১ম ঢেউয়ে ডেটাফুলের উন্মুক্ত ডেটাভিত্তিক ইন্টারঅ্যাকটিভ ভিজ্যুয়ালটি দেখা যাবে এখানে ক্লিক করে]