৫০ কোটির রেমিট্যান্স লাখ কোটি হলো যেভাবে

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রবাসীরা যে পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন তা বাংলাদেশের বাজেটের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ।

চলতি অর্থবছের বাংলাদেশের বাজেটের পরিমাণ চার কোটি ৬০ লাখ কোটি টাকার বেশি। আর গতবছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

গত ৭ বছর ধরেই বাৎসরিক রেমিট্যান্সের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকার ওপরে। তবে এই লাখ কোটির অঙ্কে পৌঁছানোর ধারাটি ততটা মসৃণ ছিল না।



জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ডেটা অনুযায়ী, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ পরিমাণ ছিল ৫০ কোটি টাকার কম। সেসময় প্রবাসে বাংলাদেশি কর্মী ছিল ৫ হাজারের কিছু বেশি।

১৯৮১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে রেমিট্যান্স হাজার কোটি টাকা ছুঁতে পারেনি।



তবে ১৯৮২ সালে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যায়। এসময় প্রবাসে কর্মীর সংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি।

১৩ বছর পর ১৯৯৫ সালে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৫ হাজার কোটির ঘরে পৌঁছায়। এসময় প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা পৌনে দুই লাখ।


রেমিট্যান্স ১ থেকে ৫ হাজার কোটিতে পৌঁছাতে ১৩ বছর সময় লাগলেও। মাত্র পাঁচ বছরেই (২০০০ সালে) তা ১০ হাজার কোটির ঘরে পৌঁছে যায়। নিচে গ্রাফে দেখুন এই সময়ে কর্মী ও রেমিট্যান্স হ্রাস-বৃদ্ধির চিত্র।


পরের চার বছরে রেমিট্যান্স দ্বিগুণ হয়ে পৌঁছায় ২০ হাজার কোটি টাকায়। নিচে গ্রাফে দেখুন এই সময়ে কর্মী ও রেমিট্যান্স হ্রাস-বৃদ্ধির চিত্র।


২০০৫ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত অর্থাৎ তিন বছরে রেমিট্যান্স ৫০ হাজার কোটি টাকা ছুঁইছুঁই।


রেমিট্যান্স ৫০ হাজার কোটি ছাড়িয়ে যায় ২০০৮ সালে। লাখ কোটিতে পৌঁছানোর আগে চার বছর রেমিট্যান্সের এ পরিমাণ অব্যাহত ছিল।